টেঁকি জোকসঃ মোবাইল ফোন আর বিয়ে ... এ দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?

টেঁকি জোকসঃ মোবাইল ফোন আর বিয়ে ... এ দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?
কম্পিউটার ক্লাশ চলছে। স্যার সবাইকে একটা একটা করে সফটওয়্যারের নাম বলতে বলল। সাজ্জাদ প্রথমে দাঁড়িয়ে বলল, ‘এমএস ওয়ার্ড’। তাই দেখে শোয়েব বলল, ‘এমএস এক্সেল’। ফারহ
শহীদ আবার এতো কিছু বুঝে না। সবাইকে এমএস দিয়ে নাম বলতে দেখে ও দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার, এমএস ধোনি।’
.......................

১ম বন্ধু: কি রে হন্তদন্ত হয়ে কোথায় চললি?
২য় বন্ধু: টয়লেটে যাই একটু ডাউনলোড করে আসি।
১ম বন্ধু : ওহ তাহলে আমি চলে যাই ; তোর তো আবার ডায়াল আপ....
২য় বন্ধু : আরে না একটু ওয়েট কর , এখন তো পিক আওয়ার. . . স্পিড ভালো পাওয়া যাবে।
.......................

সর্দার : কাল রাতে ৩ ঘন্টা ধরে একটা ইংলিশ সিডি দেখলাম,কিন্তু কোন ছবি বা শব্দ শুনতে পেলাম না।
বন্ধু : সিনেমার নাম কি ছিল?
সর্দার : Insert CD....
.......................

প্রশ্ন : মোবাইল ফোন আর বিয়ে ... এ দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?
উত্তর : সারাক্ষনই মনে হয়, আর কিছুদিন অপেক্ষা করলে এরচেয়েও ভাল মডেল পাওয়া যেত....
.......................

এক শিক্ষক গেছে এক নাপিতের কাছে । চুল কাটার পর পয়সা দিতে গেলে নাপিত বলল "চুল কাটা আমার কাছে সমাজসেবার মত,তাই আমি আপনার কাছে পয়সা নেব না।" এই শুনে ফুলওয়ালা খুশি হয়ে চলে গেল। পরের দিন নাপিত এসে দেখে দোকানের সামনে একগুচ্ছ ফুল।
পরের দিন এক ডাক্তার এসে চুল কাটাল। নাপিত আবারও পয়সা নিল না। সকালে নাপিত এসে দেখে ডাক্তার ভালোবেসে দোকানের সামনে একগুচ্ছ ফুল রেখে গেছে।
পরদিন এল এক সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চুল কেটে সেও খুশিমনে ফিরে গেল। আর তার পরের দিন....???
নাপিত এসে দেখল
............

দোকানের সামনে অন্ততঃ ১০০ জন লোক। আর প্রত্যেকের হাতে একটি করে ফরওয়ার্ডেড মেইল এর প্রিন্ট-আউট ! !
.......................

১ম বন্ধু : জানিস, সামনের ১৫ তারিখে নাকি চাঁদে রকেট পাঠানো হবে।
২য় বন্ধ : যাহ, তুই মিথ্যা কথা বলছিস।
১ম বন্ধু : কেন?
২য় বন্ধু : সামনের ১৫ তারিখ তো আমাবস্যা।
.......................

চাচা : দেখ বাবা জীবনটাকে একটু ডিফ্র্যাগমেন্ট কর নইলে ব্যাড সেক্টর পড়তে কতন ?
ভাতিজা : আরে রাখেন চাচা আপনে হইলেন ডস মোডের পোগ্রাম আপনি এক্সপি -সেভেন এর কি বুজবেন?

চাচ : কিন্তু পাইরেটেড ভার্সনে আর কয়দিন ? যখন স্ক্যানডিস্ক দিবা তখন তুমিই বুজবা।
.......................

মা : লেখ ‘স্বরে অ’
ছেলে : কোন ফন্টে লিখব মা? সুতন্বি বোল্ড দেই?
মা : খবরদার ফাজলামো করবে না যা ডিফল্ট এ আছে সেটাই কর।
.......................

সোর্সকোডটা পেলেই পৃথিবীটা বদলে দিতাম আমি।
....................... 

ট্রেনে চড়ে যাচ্ছে চার ইউজার এবং চার প্রোগ্রামার। ইউজারদের প্রত্যেকের কাছেই টিকিট আছে। তবে চার প্রোগ্রামার কিনেছে একখানা টিকিট। চেকার আসার সময় হতেই প্রোগ্রামাররা গিয়ে লুকাল টয়লেটে। চেকার সবার টিকিট চেক করে টয়লেটের দরজায় টোকাতে শুরু করল। দরজা একটু ফাঁক করে টিকিটটা বের করে ধরল তাদের একজন। দেখে নিয়ে চেকার চলে গেল।
পরের দিন সেই চার ইউজার এবং সেই চার প্রোগ্রামার আবার যাচ্ছিল ট্রেনে। চার ইউজার এবার কিনেছে একটি টিকিট। প্রোগ্রামারদের কাছে টিকিট নেই একটিও। চেকার আসার সময় হতেই ইউজাররা গিয়ে লুকাল টয়লেটে। একটু পরেই প্রোগ্রামাররা ধাক্কাতে শুরু করল টয়লেটের দরজা। ইউজাররা দরজার ফাঁক গলে বের করে ধরল টিকিটটা। প্রোগ্রামাররা টিকিট নিয়ে অন্য টয়লেটে গিয়ে লুকাল। একটু পরেই এল চেকার…।
নীতিকথা: যেসব সফটওয়্যার প্রোগ্রামাররা বানায়, তার সবই ইউজারদের ব্যবহারের উপযোগী হবে, এমন কোনো কথা নেই।
....................... 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা নেই প্রকৃত নির্বুদ্ধিতার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার।
....................... 

প্রোগ্রামারের সমাধিফলকে লেখা:
ইভান সিদোরভ
১৯৬৮-২০০৭
আমার পিসিতে এত ‘নিউ ফোল্ডার’ জমা হয়েছিল যে সেগুলোর জন্য আমাকে আরেকটা ফোল্ডার বানাতে হয়েছে ‘নিউ ফোল্ডার্স’ নামে।
.......................

তন্বী আর আনিকা দুই বান্ধবী দিনভর ফোনে কথা বলে। এদিকে মাস শেষে ফোনের বিল গুনতে গিয়ে তাদের স্বামী বেচারাদের প্রাণ যায় যায়। ফোনের খরচ কমাতে দুজনের স্বামী বুদ্ধি আঁটল। তারা কম্পিউটার কিনল, সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ। তন্বী আর আনিকাকে বলা হলো, তারা যেন ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখে। পরদিন আনিকাকে ফোন করল তন্বী।
তন্বী: হ্যালো আনিকা, তোকে একটা মেইল করেছি, দেখেছিস?
আনিকা: হ্যাঁ!
তন্বী: মেইলের দ্বিতীয় লাইনটা পড়েছিস? জানিস, প্রথম লাইনটা লিখতেই আমার দ্বিতীয় লাইনটা মনে পড়ল। আর মলি ভাবীর ঘটনাটা পড়েছিস? হা হা হা…। শোন, মলি ভাবীর ব্যাপারটা আসলে…!
 .......................  

ফেসবুক স্টেটাস
চাকুরীজীবি : কাল ছুটি।
ব্যবসায়ী : দৌড়ের উপর আছি।
আইটি স্পেশালিস্ট : অফিস
ফাকেঁ দেওয়ার সফটওয়ার
আসছে বাজারে।
ছাত্র : পড়তে ভাল লাগছে না।
ছাত্রী : আমার যে কি হবে? কাল
পরীক্ষা, কিন্তু কিছুই মনে থাকছে না।
তরুণ : সে কেন আমায় বুঝল না?
তরুণী : একটু পর শপিং-এ যাব।
বেকার : জোশ্ একটা সিনেমা দেখলাম।
কবি : পূর্ণিমা চাঁদ নিশি রাত
কালো মেঘের ছাঁয়া।
প্রেমিক : শালা! সব মেয়ে একই রকম।
প্রেমিকা : আজ মনটা ভালো নাই।
খেলোয়াড় : শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপটা
কোন দেশ যে নেয়!
গায়ক : এবারের এলবামটা প্রকৃত
শ্রোতাদের কথা ভেবে সাজানো হয়েছে।
গায়িকা : আমার নতুন এলবামটা ফেসবুক
বন্ধুদের উৎসর্গ করলাম।
নায়ক : রাতে ফ্লাইট, নতুন ছবির
কাজে সিংগাপুর যাচ্ছি।
নায়িকা : আমার নতুন ছবিটি সব বয়সের
দর্শকেরই পছন্দ হবে।
সরকারী দলের লোক : এদেশে হরতালের
আর কোন খাওন নাই।
বিরোধী দলের লোক : আর ডিজিটাল
চাইনা। গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ চাই।
সবকিছুর দাম নাগালের মধ্যে চাই। 
.......................   

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ একদিন ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করলেন, কেউ একজন তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে! তৎক্ষণাৎ তিনি ফোন করলেন নিজ অফিসের এক কর্মচারীকে। ‘কত বড় সাহস! আমার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে! এক্ষুনি খুঁজে বের করো ওই হ্যাকারকে। এক ঘণ্টার মধ্যে আমি ওর নাম-ঠিকানা জানতে চাই।’ চিৎকার করে বললেন জুকারবার্গ।ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল কর্মচারী, ‘অবশ্যই, স্যার। আমরা এক্ষুনি তাকে খুঁজে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’
জুকারবার্গ: পুলিশের হাতে তুলে দিতে কে বলল! ওকে বলো, আমার কোম্পানিতে ভালো বেতনে ওর জন্য একটা চাকরি আছে!
 .......................   

মৃত্যুর আগমুহূর্তে স্বামী বলছে স্ত্রীকে, ‘ওগো, আমার মৃত্যুর পর তুমি আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটা দেখে রেখো।’
স্ত্রী: তুমি কোনো চিন্তা কোরো না। তোমার মৃত্যুর পরও আমি সব সময় তোমার স্ট্যাটাস আপডেট করব।
স্বামী: না, না, স্ট্যাটাস আপডেট লাগবে না, তুমি শুধু আমার ফার্মভিলের ফসলে নিয়মিত পানি দিয়ো!
 .......................   

ফেসবুক হলো জেলখানার মতো!
যেখানে দিনভর আপনি ওয়ালে লেখালেখি করেন এবং সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষও আপনাকে খোঁচা দেয় (poke করে)!
 .......................   

ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে চান?
আপনার প্রোফাইলের account settings অপশনে গিয়ে অ্যাকাউন্টটি deactivate করুন।
এবার মন দিয়ে কাজ করুন!
 .......................   

ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়ল দুই ডাকাত।
প্রথম ডাকাত: বুঝলাম না! পুলিশ আগে থেইকা খবর পাইল ক্যামনে!
দ্বিতীয় ডাকাত: আহ্ হা! এই মাত্র মনে পড়ল। অভ্যাসবশত সব সময় ফেসবুকে নিজের আপডেট দিতে গিয়া গতকালকে স্ট্যাটাস দিছিলাম, ‘ইয়াহুউউ! আগামীকাল ডাকাতি করতে যাইতাছি! ’
 .......................   

আপনি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কতটা ভালোবাসেন, জানতে চান?
আপনার অ্যাকাউন্টটি ওপেন করে ctrl+w চাপুন!
 .......................   

অপু বলছে শিহাবকে, ‘আর বলিস না, দোস্ত, মনটা খুবই খারাপ।’
শিহাব: কেন রে?
অপু: আমার ধারণা ছিল ফেসবুকে আমি যথেষ্ট মজার স্ট্যাটাস দিই। আগে আমার সব স্ট্যাটাসেই কেউ না কেউ লাইক দিত। কিন্তু আমার সর্বশেষ ২০টা স্ট্যাটাসে কেউ লাইক দেয়নি।
শিহাব: আহা রে! তা, কবে থেকে তোর স্ট্যাটাসে কেউ লাইক দিচ্ছে না?
অপু: এই তো প্রায় ২০ মিনিট হয়ে গেল!  .......................    
এক মেয়ে তার
বয়ফ্রেন্ড কে মেসেজ দিল "I < 3 u "

সে রিপ্লাই দিলঃ “
পাগল হইয়া গেছ
নাকি??কমপ্লেক্স নাম্বার সিস্টেম এ ইনইকুয়ালিটি কেমনে ডিফাইন
করবা???

বেচারি পাগল আছিলনা
কিন্তু পোলা ইঞ্জিনিয়ার আছিল
 .......................  

জীবন নিয়ে হতাশ ভার্সিটি পড়ুয়া এক স্টুডেন্ট সুইসাইড করতে রেললাইনের উপর শুয়ে পড়লো .. ট্রেন খুব কাছে চলে আসছে এমন সময় সে লাফ দিয়ে উঠে পড়ে রেললাইন থেকে সরে গিয়ে বললো ,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ধুস শালা !!! সুইসাইড করতে আসছি এইডা তো ফেসবুকে স্ট্যাটাসই দেইনাই ...! ....................... 
স্কুলে পরীক্ষার সময় যখন কেউ আগে বের হয়ে যায়...
তখন অন্য সবাই ভাবে

"ওমা!! এ তো সব পারে...না হলে পরীক্ষা শেষ হল কিভাবে??"

কিন্তু যদি ভার্সিটিতে কেউ পরীক্ষার খাতা আগে দিয়ে বের হয়...

তখন

"হুহ! শালা কিছুই পারে না..."  .......................  
মোবাইল এর কিছু টেম্পলেট যা অ্যাড করা জরুরী!!

১. শালা কল কর!!

২.সিগারেট নিয়া আসিস

৩. তোর ভাবীর সাথে আছি

৪. দোস্ত একটা মেয়ের নাম্বার দে না!!

৫. কালকে ক্লাস আছে?

৬.মেজাজ খারাপ করিস না ঃ@

৭.জানু এখন কল কইর না বাবা এখনো ঘুমায় নাই!!

৮.পরে কথা কমুনে মা ডাকে!!
 .......................   

No comments:

Post a Comment